৩১ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযানের বিবরণ দিলেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা। Dhaka Post.

[রাজশাহীর তানোরে ৩১ ঘণ্টার দীর্ঘ শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানের পর গভীর নলকূপের পাইপের ভেতর থেকে শিশু সাজিদকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন।]
তিনি উল্লেখ করেন, এটি একটি সাধারণ উদ্ধার অভিযান ছিল না। আগুন নিভানো বা পানিতে ডুবে যাওয়া উদ্ধার কার্যক্রমের তুলনায় এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। পাইপটির ব্যাস ছিল মাত্র ৬ থেকে ৮ ইঞ্চি। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পূর্বেই স্থানীয় লোকজন আবেগের প্রভাবে উদ্ধার প্রচেষ্টা চালায়, যা বিপরীত ফলাফল বয়ে আনে। তাদের প্রচেষ্টার ফলে পাইপের ভেতরে প্রচুর মাটি ও খড়কুটো জমা হয়ে যায়, যার ফলে শিশু সাজিদ মাটির নিচে চাপা পড়ে।তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমরা যখন সার্চ ভিশন ক্যামেরা প্রবেশ করাই, তখন ভিকটিমের কোনো অস্তিত্ব বা হাত-পা দেখা যাচ্ছিল না। শুধু মাটি ও খড়কুটো দৃশ্যমান ছিল। তখনই আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম। তবুও শিশুটি বেঁচে থাকতে পারে-এই আশায় আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সেফটি বজায় রেখে কাজ করেছি।

Post a Comment

Previous Post Next Post